• শিরোনাম

    আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা, সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা, ২৩ কফিন নিয়ে এলো বিমান বাহিনীর কার্গো, তিন লাশ এখনো নেপালের মর্গে

    এত লাশ এত কান্না

    অনলাইন ডেস্কঃ- | মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮ | পড়া হয়েছে 447 বার

    এত লাশ এত কান্না

    কে সান্ত্বনা দেবে এই ছোট্ট শিশুটিকে। আর্মি স্টেডিয়ামে গতকাল বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের লাশ নিয়ে আসার পর কান্না আহাজারিতে সৃষ্টি হয় হৃদয়বিদারক পরিবেশের —রোহেত রাজীব

    বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের আহাজারি, কান্না আর হাহাকারে ভারি হয়ে উঠেছিল গতকাল আর্মি স্টেডিয়ামের বিকাল। নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশি ২৬ জনের মধ্যে ২৩ জনের লাশ দেশে নিয়ে আসার পর ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে তাদের দ্বিতীয় জানাজা হয়।

    দুর্ঘটনার সাত দিন পর তরতাজা মানুষগুলো ফিরলেন কফিনবন্দী হয়ে। গতকাল সকালে নেপালে তাদের প্রথম জানাজা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকালে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি কার্গো বিমানে করে তাদের কফিন ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। জানাজা শেষে বেদনাবিধুর পরিবেশে তাদের লাশ হস্তান্তর করা হয় স্বজনদের কাছে। লাশ গ্রহণ ও হস্তান্তর ঘিরে আর্মি স্টেডিয়ামে অবতারণা হয় হৃদয়বিদারক দৃশ্যের। ভয়াবহ সেই বিমান দুর্ঘটনায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে আসা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেহেদি হাসানও হাতে ক্যানোলা, ঘাড়ে আলাদা সাপোর্ট নিয়েই চলে এসেছিলেন আর্মি স্টেডিয়ামে সহযাত্রী ভাই ও ভাতিজিকে চিরবিদায় জানাতে। এ এক অন্যরকম দৃশ্য। চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। ২৩ জনের লাশ বিকাল ৪টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালে সেগুলো গ্রহণ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল। আইএসপিআর জানায়, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    সেখান থেকে ১৯টি অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশগুলো জানাজার জন্য নেওয়া হয় আর্মি স্টেডিয়ামে। মাওলানা মাহমুদুর রহমানের পরিচালনায় মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতা, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, আত্মীয়-বন্ধু-স্বজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজায় অংশ নেন। জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সরোয়ার হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী কফিনে ফুল দিয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে একে একে নাম ডেকে ডেকে লাশ হস্তান্তর করা হয় স্বজনদের কাছে। ২৩ জন পুলিশ কর্মকর্তা আলাদা ফাইলে তথ্য সংগ্রহ ও ফরম পূরণ করে ছবি ও পাসপোর্টের তথ্য দেখিয়ে লাশ হস্তান্তর করেন। এই ২৩ জনের মধ্যে ইউএস-বাংলার পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশীদ, কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মো. শফি ও শারমিন আক্তার নাবিলা রয়েছেন। অন্য নিহত যাত্রীর মধ্যে আছেন ফয়সাল আহমেদ, বিলকিস আরা, বেগম হুরুন নাহার বিলকিস বানু, আখতারা বেগম, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, রকিবুল হাসান, হাসান ইমাম, আঁখি মণি, মিনহাজ বিন নাসির, ফারুক হোসেন প্রিয়ক, তার মেয়ে প্রিয়ন্ময়ী তামারা, মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহিরা তানভিন শশী রেজা, বেগম উম্মে সালমা, মো. নুরুজ্জামান, রফিক জামান, তার স্ত্রী সানজিদা হক বিপাশা, তাদের ছেলে অনিরুদ্ধ জামান। হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষে কফিন নিয়ে স্বজনরা রওনা হন যার যার ঠিকানায়। নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রিয়জনের দাফন সম্পন্ন করবেন তারা। বিমান দুর্ঘটনায় নিহত যাত্রীদের স্বজনদের মধ্যে যারা কাঠমান্ডুতে গিয়েছিলেন, তাদেরও গতকালই দেশে ফিরিয়ে এনে আর্মি স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়। দেশে থাকা পরিবারের অন্য স্বজনরাও দুপুরের পর আর্মি স্টেডিয়ামে জড় হতে শুরু করেন। তাদের কান্নায় ভারি হয়ে ওঠে স্টেডিয়ামের পরিবেশ। আর্মি স্টেডিয়ামের জানাজায় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মো. শফিউল হক, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরারসহ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্য এবং কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ ছাড়া পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও কর্মকর্তারাও জানাজায় অংশ নেন। বিকাল ৫টার দিকে লাশ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সগুলো বিমানবন্দর থেকে আর্মি স্টেডিয়ামে এসে পৌঁছায়। ৫টা ২০ মিনিটে জানাজা শুরু হয়। এর আগে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১ নম্বর ভিভিআইপি টারমাকে পৌঁছায় বিমানবাহিনীর লাশবাহী একটি কার্গো বিমান। ১২ মার্চ ৬৭ জন যাত্রী ও ৪ ক্রু নিয়ে বিধ্বস্ত হয় ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজটি। এতে মারা যান ৫১ জন। বিমানে বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন ৩৬ জন। নিহতদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি যাদের ২৩ জনের লাশ শনাক্ত করা হয়েছে। গতকাল ২৩ জনের লাশ আর্মি স্টেডিয়ামে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নজরুল ইসলাম, পিয়াস রয় ও আলিফুজ্জামানের লাশ শনাক্ত করার পর দেশে আনা হবে।

    হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী— সেতুমন্ত্রী : দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের সঙ্গে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিগগিরই দেখা করবেন। যার যা প্রয়োজন, প্রধানমন্ত্রী তাই দিয়ে সহায়তা করবেন। গতকাল বিকালে আর্মি স্টেডিয়ামে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ জনের জানাজা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    নেপালে ২৩ বাংলাদেশির প্রথম জানাজা : নেপালে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের প্রথম জানাজা গতকাল সকালে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হয়। ইউএস-বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে লাশগুলো সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ৯টার দিকে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় যে ১০ বাংলাদেশি প্রাণে বেঁচে গেছেন, তার মধ্যে ছয়জন ইতিমধ্যে দেশে ফিরে এসেছেন। একজনকে ভারতে ও একজনকে পাঠানো হয়েছে সিঙ্গাপুরে। কাঠমান্ডু মেডিকেলে চিকিৎসা নেওয়া শাহীন ব্যাপারী রবিবার বিকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা পৌঁছালে বিমানবন্দর থেকেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। এখন ইয়াকুব আলী ও কবির হোসেন কাঠমান্ডুতে চিকিৎসাধীন আছেন। তার মধ্যে কবির হোসেনকে ভারতে ও ইয়াকুব আলীকে দেশে আনা হতে পারে বলে জানা গেছে। আহত যাত্রীদের সুচিকিৎসার স্বার্থে হাসপাতালে ভিড় না করার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

    স্বজনদের আহাজারি আর্মি স্টেডিয়ামে : বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন রাজশাহীর নজরুল ইসলাম ও আখতারা বেগম দম্পতি। গতকাল দেশে আনা হয়েছে কেবল আখতারার লাশ। বাবা নজরুল ইসলামের লাম এখনো শনাক্ত হয়নি। মায়ের লাশ নিতে আর্মি স্টেডিয়ামে এসেছিলেন উত্তরা উইমেন্স মেডিকেল কলেজে পড়ুয়া মেয়ে নার্গিস আক্তার কনক ও তার বড় বোন নাজনীন আক্তার কাঁকন। এই দুই বোনের আর্তনাদে ভারি হয়ে উঠেছিল আকাশ-বাতাস। হাউমাউ করে কাঁদছিলেন দুই বোন। তারা বলছিলেন, তাদের বাবা-মা দুজনই সরকারি চাকরিজীবী। গত দুই বছরে তারা দুজনই অবসরে এসেছেন। আনন্দঘন সময় কাটাতে তারা দুজন একসঙ্গে প্রথমবারের মতো গিয়েছিলেন দেশের বাইরে। ১৭ মার্চ রাতে তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল। কাঁকন বলছিলেন, ‘আমাদের দেখার আর কেউ রইল না। আমাদের এখন কে সান্ত্বনা দেবে। কে মুখে তুলে খাবার দেবে কনককে। ’

    হাতে ক্যানোলা-গলায় সাপোর্ট নিয়ে মেহেদি : আনন্দ ভ্রমণে সবাই গিয়েছিলেন নেপাল। ল্যান্ড করার আগে জানালা দিয়েই দেখছিলেন হিমালয়কন্যা স্বপ্নের নেপাল। তবে এর আগে কখনো বিদেশেই যাননি মেহেদি হাসান। তাই স্ত্রী সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, ভাই ফারুক হোসেন প্রিয়, ভাইয়ের স্ত্রী আলামুন নাহার অ্যানী ও ভাইয়ের ছোট্ট মেয়ে তামারা প্রিয়ন্ময়ী— এ পাঁচজন মিলে যাচ্ছিলেন নেপালে। দুর্ঘটনায় নিহত হন প্রিয় ও তার মেয়ে প্রিয়ন্ময়ী। আহত হন বাকিরা। কিন্তু এমন পরিণতি হবে ভাবেননি। গতকাল আর্মি স্টেডিয়ামে কাঁদতে কাঁদতে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন মেহেদি হাসান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে হাতে ক্যানোলা, ঘাড়ে আলাদা সাপোর্ট নিয়ে হুইল চেয়ারে করে চলে এসেছিলেন বড় ভাই ফারুক হোসেন প্রিয় ও ভাতিজি প্রিয়ন্ময়ীকে শেষ বিদায় জানাতে। এই শারীরিক অবস্থায় কেন এলেন— জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভাই! এদের কি আর দেখতে পামু কন? বাবুটা ছিল আমার কলিজার টুকরা। ’বার বার মুখ ঢেকে কাঁদছিলেন মেহেদি। কান্নাভেজা কণ্ঠেই জানান, উড়োজাহাজের পেছনের দিকের পাঁচটি আসনে পাশাপাশি বসেছিলেন সবাই। মেহেদি বসেছিলেন জানালার পাশে। বিধ্বস্ত হওয়ার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে অবতরণের ঘোষণা দেওয়া হয়। সবাইকে সিটবেল্ট বাঁধতে বলা হয়। সবাই সিটবেল্ট বাঁধেন। ঘোষণা দেওয়ার পরপরই মেহেদি জানালা দিয়ে দেখেন ল্যান্ডিং গিয়ার বের হয়েছে। উড়োজাহাজটি অনেক নিচু দিয়েই উড়ছিল বেশ কয়েক মিনিট ধরে। সবই স্বাভাবিক ছিল। প্রথমে ভূমি স্পর্শ করে ছিটকে পড়ে উড়োজাহাজটি। ভেঙে যায়। মেহেদি ও তার স্ত্রী সামনের ভাঙা অংশ দিয়ে নামতে পারেন। মেহেদি নেমেই নিচে কয়েকজনকে পড়ে থাকতে দেখেন। উদ্ধারকারীরা এসে তাদের নিয়ে যান।

    পৃথুলাকে বীরের মর্যাদার দাবি : বার বার ‘মা ও মা’ বলে হাউমাউ করে কাঁদছিলেন পাইলট পৃথুলা রশীদের মা রাফেজা বেগম। দুই চোখ বেয়ে টপটপ করে ঝরছিল অশ্রু। পাশে বসে থাকা পৃথুলা রশীদের বন্ধু পাইলট সামিয়া বন্ধুর মাকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে নিজেও হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন। গতকাল বিকালে আর্মি স্টেডিয়াম থেকে লাশ স্বজনদের বুঝিয়ে দিতে পৃথুলার নাম ডাকলে এই হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। পৃথুলার মায়ের পাশে তার নানু ও ছোট খালা বসেছিলেন। তারাও হাউমাউ করে কাঁদছিলেন। ১২ মার্চ নেপালে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত হন পৃথুলা রশীদ। আবদুল মান্নান খান নামে পৃথুলার দূর সম্পর্কের এক নানা বলেন, একমাত্র সন্তানকে তার বাবা-মা শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। পৃথুলা তার বাবা-মায়ের আশা পূরণ করেছিলেন কিন্তু আল্লাহ তাকে অকালেই নিয়ে গেলেন। আমরা জেনেছি পৃথুলা নিজের জীবনের বিনিময়ে ১০ জন যাত্রীর জীবন রক্ষা করেছিলেন। তাকে যেন সরকারের পক্ষ থেকে বীরের মর্যাদা দেওয়া হয়। গতকাল শ্যামলী আশা টাওয়ারে সর্বশেষ জানাজার পর মিরপুরে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয় পৃথুলাকে।

    প্রিয়জনের লাশ দেখে বাকরূদ্ধ এ্যানি : বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ফারুক হোসেন প্রিয়ক ও তার কন্যা প্রিয়ংময়ী তামাররার মৃতদেহ দেখে বাকরূদ্ধ হয়ে পড়েন ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া ফারুকের স্ত্রী আলমুন নাহার এ্যানি। মৃতদেহ দেখেও তিনি মৃত্যুর বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। গতকাল রাত ৭টা ৫৬ মিনিটে স্বামী ও সন্তানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে শ্রীপুরের নগরহাওলা গ্রামের বাড়িতে এসে পৌছে। তারপর থেকে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। ফারুকের বাড়িতে এ সময় স্ত্রী এ্যানি শুধু একটি কথাই বলেন, ‘তোমরা আমার মেয়েকে এনে দাও। আমি আর কিছুই চাই না। মা তামাররা তুমি কোথায়? আমি কেন মেয়ের শখ পূরণে রাজি হলাম। ’ এসব বলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন এ্যানি।

    সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন ।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    একজন মন্ত্রীর পুরনো দুই টিনের ঘর

    ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | 2075 বার

    উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরন

    ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | 633 বার

    জামাই হিসেবে সাংবাদিকরা কেমন?

    ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | 568 বার

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে nabinagar71.com