• শিরোনাম

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল

    ছাত্রদল এর ৩৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী’তে ছাত্রদল এর একাল/সেকাল

    অনলাইন ডেস্ক | রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 410 বার

    ছাত্রদল এর ৩৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী’তে ছাত্রদল এর একাল/সেকাল

    ছাত্রদল এর ৩৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী’তে আসুন দেখে নেওয়া যাক ছাত্রদল এর একাল/সেকাল

    “আমার ছেলেরা আমি তোমাদের অভুতপূর্ব বিজয়ে ভীষন আনন্দিত। আমি যে কতটা খুশী হয়েছি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। এক বৎসর পূর্বে আমি বলছিলাম যদি তোমরা সাধারন ছাত্রদের কল্যানে আত্মনিয়োগ করতে পার তবে সামনের বছর তোমরা ভাল করবে। আমার কথা কি ঠিক হয়েছে?” তিনি নিজেই বললেন “আমার কথা ১০০% ঠিক হয়েছে।” একটু থেমে আবার বললেন, “আমার প্রান প্রিয় ছেলেরা তোমরা যদি সাধারন ছাত্রদের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে পার, সাধারন ছাত্রদের মন জয় করতে পার তবে আমি নিশ্চিত আগামী ছাত্র সংসদে তোমরা আরো বেশী আসন পাবে হল সংসদে সর্বাধিক আসন পাবে।”

    “আমি দিব্য দেখতে পাচ্ছি যে সেদিন আর বেশী দূরে নয় যেদিন ডাকসুতে তোমরা পূর্ন প্যানেলে বিজয়ী হবে। বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ সংগঠন হিসাবে ছাত্রদল আত্মপ্রকাশ করবে। সেদিন হয়ত আমি নাও থাকতে পারি আমার ছেলেরা। আমি যদি নাও থাকি তোমরা ছাত্রদল কে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজ যারা ছাত্র তারাই আগামী দিনের নেতা, মন্ত্রী, বিচারক ও প্রশাসক। আমি চাই যে ছাত্রদলের ছেলেরাই আগামী দিনের রাজনীতি ও প্রশাসনের সর্বস্তরে নেতৃত্ব দেবে। তোমরাই হবে আগামী দিনের দেশের মুল চালিকা শক্তি। সুতারং তোমাদের সেভাবেই গড়ে উঠতে হবে। – শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তম ”

    দুরদ্রষ্টা প্রেসিডেন্ট জিয়ার সে ভবিষ্যত বানী অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেছে। এক বিন্দু এদিক ওদিক হয়নি। ১৯৮২ সালে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল এ জি এস, সমাজসেব সম্পাদক সহ ৫টি হল সংসদে মোট ৫৫ টি পদে জয় লাভ করে। আর মাত্র ৭/৮ বছরের ব্যাবধানে ছাত্রদল সব থেকে বড় ছাত্র সংগঠনে পরিনত হয়। ১৯৯০ সালের এক পরিসংখানে দেখা যায় ডাকসু, বাকসু, ইউকসু, বামেকসু, ঢামেকসু সহ বাংলাদেশের ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদে ছাত্রদল পূর্ন প্যানেলে জয়ী হয়। ৩০৮টি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ / কলেজে পূর্ন প্যানেলে জয়ী হয়। এটা একটা রেকর্ড। যা এক মাত্র ছাত্রদলেরই আছে।
    সূত্রঃ http://ziacyberforce.com/ছাত্রদল-এবং-শহীদ-রাস্ট্র/

    ছাত্র রাজনীতির চার দশক
    ছাত্রদলের সেই নেতারা কে কোথায়…?

    ১৯৭৯ সাল। পহেলা জানুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে এ ছাত্রসংগঠনটি ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। ডাকসুর ভিপিসহ দেশের ছাত্র সংগঠনে নেতৃত্বদানকারী এ সংগঠনটি এখন প্রায় নিষ্ক্রিয়। গতিশীল নেতৃত্ব ও ছাত্রদের হাতে নেতৃত্ব না থাকার কারণে এ সংগঠনটি রাজপথে পুরনো ভূমিকায় নামতে পারছেন না। নানা প্রেক্ষাপটে সংগঠনটির সভাপতি ও আহ্বায়কের পদে এসেছেন ১৭ জন।
    সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম আহ্বায়কের পদে আসীন হয়েছেন ১০ জন। তাদের মধ্যে রাজনীতি ছেড়েছেন ৬ জন। সক্রিয় ১৩ জন। ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটিতে কেউ স্থান করতে না পারলেও ভালো পদের আশায় আছেন অনেকেই। সাবেক ছাত্রনেতাদের মধ্যে মারা গেছেন ৩ জন, গুম হয়েছেন ১ জন, বাকিরা ভালো পদের অপেক্ষায়।
    রাজনীতিতে সক্রিয় যে ১৩ জন: ১৯৭৯ সালে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক ছিলেন কাজী আসাদুজ্জামান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্রনেতা বর্তমানে বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক। ১৯৮৫ ও ১৯৮৬ সালে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন শামছুজ্জামান দুদু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্ররাজনীতি শুরু করার এই নেতা বর্তমানে কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন ড. আসাদুজ্জামান রিপন। মুন্সীগঞ্জের এই ছাত্রনেতা বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। বেশ কিছু সময় দল থেকে দূরে থাকায় তিনি পিছিয়ে পড়েছেন। তিনি ইংরেজি ম্যাগাজিন দ্য ডিপ্লোম্যাট অ্যান্ড গ্লোবাল-এর সম্পাদক। ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক পদে ছিলেন আমান উল্লাহ আমান। এর আগে ৮৭ থেকে ৯০ সাল পর্যন্ত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক। ৯০ সালে তিনি ছিলেন ডাকসুর ভিপি। অষ্টম সংসদ নির্বাচনে এমপি হয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, পরবর্তীতে শ্রম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। বর্তমানে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব। ১৯৯২ সালের ১৬ই মে প্রথমবারের মতো নির্বাচনের মাধ্যমে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সভাপতি পদে জয়ী হন রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ। কিন্তু আন্তঃকোন্দলের ফলে মাত্র ৪ মাস টিকে ছিল রিজভীর কমিটি। ৪ মাস পরেই তিনি কেন্দ্রীয় সভাপতির পদ থেকে চলে যান। এককালের মাঠকাঁপানো এই ছাত্রনেতা ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ-রাকসুর ভিপি। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি সরকারের সময়ে তিনি রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন। বর্তমানে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও দপ্তরের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির পদে ছিলেন ফজলুল হক মিলন। অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুরের কালীগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। বর্তমানে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। মিলনের কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন নাজিম উদ্দিন আলম। বর্তমানে তিনি বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। ১৯৯৬-এর শেষের দিকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির পদে আসেন শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী। ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সভাপতির পদে ছিলেন তিনি। ৭ম, ৮ম, ৯ম জাতীয় সংসদে লক্ষীপুর-৩ আসন থেকে পরপর তিনবার এমপি নির্বাচিত হন তিনি। বর্তমানে বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক। এ্যানীর কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন হাবীব-উন-নবী সোহেল। এরপর সোহেল ২০০০ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে একাই তিনটি পদের অধিকারী তিনি। বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব। ২০০২ সালের শেষের দিকে মাত্র ৪ মাসের জন্য ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক ছিলেন এবিএম মোশারফ হোসেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির সহ-স্বেচ্ছাবিষয়ক সম্পাদক।
    ২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শফিউল বারী বাবু। নবম সংসদ নির্বাচনে নিজ জন্মস্থান লক্ষ্মীপুরের রামগতি থেকে মনোনয়ন চেয়ে পাননি। শফিউল বারী বাবু বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক। ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির পদ ছিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বর্তমানে তিনি বিএনপির সহ-ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক। তার পৈতৃক নিবাস টাঙ্গাইল থেকে নির্বাচন করতে চান। টুকুর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আমিরুল ইসলাম খান আলীম। বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তিনি।
    রাজনীতির বাইরে যারা: ছাত্রদলের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি এনামুল করিম শহিদ। ১৯৭৯ সালের শেষের দিকে এই পদ পান তিনি। বর্তমানে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। এককালের তুখোড় এই ছাত্রনেতা বর্তমানে টাঙ্গাইলের একটি কলেজে শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন। এনামুল করিম শহিদের পরে ছাত্রদলের আহ্বায়কের পদে আসেন গোলাম সরোয়ার মিলন। এরশাদ সরকারের সময় দল ছেড়ে চলে যান জাতীয় পার্টিতে। এর কিছু দিন পরেই রাজনীতি থেকে সরে যান তিনি। ১/১১-এর সময় আবারও রাজনীতিতে জড়িত হন ফেরদৌস কোরেশীর দল পিডিপিতে। গোলাম সরোয়ার মিলনের মতোই অবস্থা এককালের তুখোড় ছাত্রনেতা আবুল কাশেম চৌধুরীর। ১৯৮৩ থেকে ৮৬ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এরশাদ সরকারের সময় বিএনপি ছেড়ে চলে যান এরশাদের সঙ্গে। এর কিছুদিন পরেই রাজনীতি থেকে সরে যান তিনি। ১/১১-এর সময় তিনি পিডিপিতে যোগ দিলেও বর্তমানে কোনো দলের সঙ্গে যোগাযোগ নেই তার। ১৯৮৬ ও ৮৭ সালে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন জালাল আহমেদ। পরে রাজনীতি ছেড়ে পাড়ি দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায়। ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত আমানউল্লাহ আমানের আহ্বায়ক পদে থাকাকালীন যুগ্ম-আহ্বায়কের পদে ছিলেন সানাউল হক নীরু। বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে একাধিকবার দুর্ব্যবহার করে বর্তমানে দলচ্যুত। ২০০৩ ও ০৪ সালে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলে সাহাবুদ্দিন লাল্টু। বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে অভিমানে দল ছেড়েছেন তিনি। বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন তিনি।
    মারা গেছেন ৩ জন: ১৯৭৯ সালে ছাত্রদলের প্রথম সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন আকম গোলাম হোসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নেতা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন দীর্ঘদিন। বিএনপির একজন বুদ্ধিজীবী হিসেবে তার ছিল খ্যাতি। বেশ কয়েক বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। ছাত্রদলের শ্রেষ্ঠ সংগঠক বলে পরিচিত মাহবুবুল হক বাবলু। ১৯৮৬ সালের শেষের দিকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হয়ে ১৯৮৭ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছিলেন। এরশাদ সরকারের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হলে বোমা হামলায় নিহত হন তিনি। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন নাসিরুদ্দিন আহমেদ পিন্টু। এরপর ২০০০ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি। পিলখানায় বিডিআর হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে গত বছরের ৩রা মে তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে মারা যান। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগরের যুগ্ম-আহ্বায়ক ছিলেন তিনি।
    সেই আলোচিত ইলিয়াস আলী: ২০১২ সালের ১৭ই এপ্রিল রাতে নিজ বাসায় ফেরার পথে রাজধানী ঢাকার মহাখালী থেকে নিখোঁজ হন তিনি। তখন থেকেই কোনো হদিস মেলেনি তার। ইলিয়াস আলী ছিলেন একসময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা। ১৯৯২ সালের শেষের দিকে তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। গুম হওয়ার পরও ইলিয়াস আলী বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন।
    ভালো পদের অপেক্ষায় যারা: ২০০৩ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় সভাপতির পদ পান। ২০০৯ সালে ছাত্রদল থেকে বিদায় নেয়ার পর তিনি নবম জাতীয় সংসদে তার নিজ জন্মস্থান খুলনা থেকে নির্বাচন করবেন বলে ব্যাপক কাজ করেন। সেখান থেকে মনোনয়ন না পেয়ে নির্বাচন করেন ঢাকা-১৮ আসনে। তবে নির্বাচনে হেরে যান তিনি। বর্তমানে বিএনপির কোনো পদে না থাকলেও ভালো পদ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। ২০১২ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল। তার সভাপতি থাকাকালীন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন হাবিবুর রশিদ হাবিব। এরা দুজনেই এখনও বিএনপির ভালো কোনো পদে আসেননি।
    বর্তমান কমিটি: ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি রাজীব আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান। দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি ছাত্রদলের ৭৩৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

    কার্টেসি মানবজমিনঃhttp://www.mzamin.com/article.php?mzamin=1705

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    যুবলীগের কেন্দ্রীয়  নেতা

    ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | 497 বার

    জামাই হিসেবে সাংবাদিকরা কেমন?

    ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | 481 বার

    আওয়ামী লীগ-বিএনপির প্রস্তুতি

    ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | 477 বার

    বিচার

    ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | 272 বার

    আনিসুল হক আর নেই

    ৩০ নভেম্বর ২০১৭ | 269 বার

    মেয়র আনিসুল হকের সংক্ষিপ্ত জীবনী

    ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ | 215 বার

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে nabinagar71.com