• শিরোনাম

    ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কথা বিবেচনা করে মার্কেট খোলা থাকুকi

    এস এ রুবেল | শুক্রবার, ০৮ মে ২০২০ | পড়া হয়েছে 338 বার

    ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কথা বিবেচনা করে মার্কেট খোলা থাকুকi

    ফাইল ছবি

    আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সবকটি লোকাল দৈনিকে
    ‘মার্কেট খোলা হবে না ১০ তারিখ থেকে’ নিউজটি গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের উদ্ভুত পরিস্থিতিতে যুগান্তকারী এ সিদ্ধান্ত বাহবা পাওয়ার যোগ্য।

    প্রতিটি ক্রিয়ারই একটা বিপরীত দিক থাকে। করোনা পরিস্থিতিতে সারাদেশে লকডাওনের প্রায় দুই মাস পুর্ন হলো।

    ‘যেই লাউ সেই কদু’র মতই কেউ কেউ হোম কোয়ারেন্টাইনে আবার কেউ কেউ দল বেধে বাজারে ভীড় জমিয়ে রাখে। যে কারনে করোনা রোগীর তালিকা দিনকে দিন দীর্ঘ হচ্ছে।

    এতে করে এতোদিন যারা কোয়ারেন্টাইনে ছিলো আশানুরূপ তারাও এখন নিরাপদ নেই। তাহলে ব্যবসা গুটিয়ে এতোদিনের ঘরবন্দী থাকার ফল কি দাড়ালো?

    মুল কথায় আসি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাড়াও আশপাশের এলাকাতে হাজারো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রয়েছে যাদের পরিবারের আহার যোগানের মাধ্যম হল তাদের ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানটি।

    তাল মিলিয়ে লকডাওন মেনে দীর্ঘ সময় চাপা কষ্ট নিয়েই চলেছে এইসব ক্ষুদ্র দোকানীরা। কি এক পরিস্থিতিতে সামাল দিয়েছে তারা তা একমাত্র ভুক্তভোগীরা জানে। এ কস্ট পরিবারের কাউকে বলা যায়না।

    এমন কেউ কি আছে নিজেদের পরিবারের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদি কিনে দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। শত কস্ট হলেও তাল মিলিয়ে এ চলাটুকুতে যে কি যাতনা তা লিখা অসম্ভব।

    দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে দুর্বলরাও প্রতিবাদী হয়ে উঠে। যার প্রমান লকডাওন ভেঙ্গে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শাটার বন্ধ রেখেই লুকোচুরি করে যতটুকুই পারে ব্যবসা করে যাচ্ছে৷

    আছে পুলিশের ভয়,আছে ম্যাজিস্ট্রেট এসে জড়িমানা করবে সে ভয়। ভয় নিয়েও চুর পুলিশের এ খেলা প্রতিটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে করতে হচ্ছে। এভাবে কি বেচে থাকা যায়……! না এটাকে বেচে থাকা বলে।

    আপনার কি মনে হয়, সেসব ব্যবসায়ীরা করোনাকে ভয় পায়না! তাহলে কেনইবা রিস্ক নিয়ে দোকান খুলছে।ভাবুন তো এরচে বেশি কষ্ট যে পরিবারের অন্ন যোগান না দিতে পারার ব্যার্থতাটুকু।

    সরকার সহায়তা দিচ্ছে। সবাই কি পাচ্ছে? কিংবা কতদিন দিবে। এ পরিস্থিতি কতদিন থাকবে। সব প্রশ্নের উওর যখন অনিশ্চয়তার কথা বলে। তবে ধরে নিন। একটা সময় লকডাওন উপেক্ষা করেই সবাই দোকানপাট খুলে দিচ্ছে। তখন এ সময়টাতে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গুলো তখন মূল্যহীন মনে হবে।

    আমার কাছে মনে হয় মার্কেট খোলার সিদ্ধান্ত নেয়ায় যায়। আপনার কাছে মনে হলে যাবেন নয়তো ঘরেই থাকবেন। মার্কেট খোলা মানেই এ নয় আপনি /আমি ঝুকিতে আছি যদি মার্কেটে না যায়।

    ব্যবসায়ীদের বেলায়ও বসুন্ধরা সিটি,যমুনা ফিউচার পার্কের সিদ্ধান্ত অনুকরণ করার কিইবা দরকার! তাদের আর্থিক অবস্থান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের এক নয় এটা মনে রাখ উচিত।

    এক্ষেত্রে সচেতন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের যদি মনে হয় তারা কোয়ারেন্টাইনে নিরাপদ রয়েছেন তাহলে তারা প্রতিষ্ঠানের তালা না খুললেই ঝামেলা চুকে যায়।

    বিঃদ্রঃ- লেখাটি আমার ব্যক্তিগত মতামত। বর্তমান পরিস্থিতিতে সবার আর্থিক অবস্থান এক নয়। আবার এ সময়টুকু স্বাভাবিক হতে যে সময় লাগবে ততদিন নিয়ম মেনে টিকে থাকার মতো মানুষ ক’জনইবা আছে জানিনা।

    সারাবিশ্বে এ দুর্যোগ অন্তত সবাইকে এটা শিখিয়েছে সামাজিক দুরত্ব, ঘরে থাকা, নিয়মিত হাত ধোয়া এ ভাইরাস থেকে রক্ষার উপায়। তাহলে কে মার্কেট খুললো এসব খুজার দরকার কি। আমি আপনি না গেলেই হয়।

    এস এ রুবেল
    সম্পাদক
    নবীনগর টুয়েন্টি ফোর ডটকম

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ভালবাসার একজন ইউএনও

    ১৫ জানুয়ারি ২০১৮ | 1217 বার

    আমার বন্ধুর জন্মদিন!!

    ১৪ মে ২০১৮ | 1012 বার

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে nabinagar71.com