• শিরোনাম

    ৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যা করল পাষন্ড বাবা!

    নিউজ ডেস্ক | বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 822 বার

    ৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যা করল পাষন্ড বাবা!

    ৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যা করল পাষন্ড বাবা!

    ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়াইল (পশ্চিম পাড়া)খাঁ বাড়ির মোঃ নাসির মিয়ার বড় মেয়ে মারুফা অাক্তার।বছর দেড়েক অাগে পার্শ্ববতী নরসিংদী জেলার অালোকবালি ইউনিয়নের বাখরনগর গ্রামের অাপন মিয়ার সাথে বিয়ে হয় মারুফার। বিয়ের পর কোলজুড়ে অাসে ফুঁটফুঁটে পুত্র সন্তান মাহিন। জন্মদাতা পিতার হাতেই নিষ্ঠুর নির্মমতায় মাহিন কে দিতে হলো প্রাণ!

    অত্যান্ত পৈচাশিক কায়দায় গলাকেটে অবুঝ সন্তানকে হত্যা করে পিতা! সন্তান নিরাপদ কার কাছে? কি জবাব অাছে তার??

    আজ ২১ নভেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার মরজাল এলাকায় এ পৈচাশিক ঘটনা ঘটে। শিশু মাহিনের লাশ উদ্ধার করেছে রায়পুরা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির চাচা ও দাদাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। ঘাতক পিতা পালাতক!

    নিহত শিশুটির মা মারুফা আক্তার অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী আপন মিয়া সন্তানকে গলা কেটে হত্যা করেছেন।

    স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, প্রায় দেড় বছর আগে সদর উপজেলার আলোকবালীর বাখারনগর এলাকার আপনের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নবীনগরের বাড়াইল এলাকার মারুফার বিয়ে হয়। এরপর থেকে প্রায়ই আপন তার স্ত্রীকে মারধর করতেন। এ কারণে মারুফা তাঁর বাবার বাড়িতে থাকতেন।

    গত ঈদের কিছুদিন আগে মারুফাকে তাঁর শ্বশুর তাঁদের বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন। কিন্তু তাঁদের ঝগড়া থামে না। আপন কিছুদিন বিদেশ ছিলেন। বিদেশ থেকে এসে তিনি আর কোনো কাজ করেননি। এভাবেই চলতে থাকেন। আর ধীরে ধীরে তিনি মাদকসেবী হয়ে ওঠেন। মাদকের কারণেই তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। আর প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার কারণেই প্রাণ দিতে হলো অবুঝ শিশুকে।

    নিহতের মা মারুফা আক্তার বলেন, গত ২০১৬ সালে জুলাই মাসের ১৫ তারিখে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই শশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে নিযার্তন করত। নির্যাতন সহ্য না করতে পেরে নবীনগর বড়াইল গ্রামে বাবার বাড়ি চলে যান। গত রোববার শ্বশুর বাবার বাড়ি থেকে তাকে স্বামীর বাড়িতে নিয়ে যান।

    মারুফা বলেন, ‘ঘটনার রাতে তাকে (আপন) বলেছি, তুমি কাজকর্ম না করলে বাবুকে কী খাওয়াব, এই ছিল আমার কথা। আমি বাইরের কাজ শেষে ঘরে গিয়ে দেখি, আমার স্বামী আর দেবর কেউই ঘরে নেই। আর আমার বাচ্চাটার রক্তাক্ত গলাকাটা দেহ বিছানায় পড়ে রয়েছে!!

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    একজন মন্ত্রীর পুরনো দুই টিনের ঘর

    ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | 2688 বার

    তিন বোনের এক স্বামী

    ০৫ জানুয়ারি ২০১৯ | 891 বার

    এত লাশ এত কান্না

    ২০ মার্চ ২০১৮ | 840 বার

    পুলিশ হতে চাই ৫ যমজ ভাই-বোন

    ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ | 763 বার

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে nabinagar71.com